কখন কোন ফল খাবেন

ফল মানুষের একটি অতি পছন্দের খাবার। ফলে যে পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক সাহায্য করে। ফল আমাদের ত্বক ভালো রাখে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করে সহায়তা করে। ফল খাওয়া ভাল বলে আবার যখন তখন ফল খাওয়া ঠিক নয়। তাতে করে দেখা দিতে পারে অ্যাসিডিটি ও হজমের সমস্যা। কখন কোন ফল খাবেন তা নিয়ে আজকে আলোচনা করব। সব সময় ফল উপকারি না হয়ে অপকারিও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে খাওয়ার পর ফল না খেতে বলেন। কারণ হল রাতে আপনি ফল খেয়ে আর হাতবেন না কাজেই এটি আর হজম হবে না। আর হজম হলেও পরিপূর্ণ হজম হয় না। আর দিনের কথা বললে আপনি যখন খুশি তখনই ফল খেতে পারেন। কিন্তু ভাল হয় খাবারের পর খেলে। তবে ফল খাওয়ার উত্তম সময় হলো সকাল এবং দুপুর বেলা।

পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন জানান, আঁশজাতীয় খাবার রাতে খেলে হজমে সমস্যা দেখা দেওয়ার অনেক বেশি আশঙ্কা থাকে। বর্তমান সময়ে কম বেশি সবারই একটি সমস্যা দেখা যায় আর তা হল- গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি। যাদের এই সমস্যা আছে তাদের বেলায় ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তারা যেন ভুলেও রাতে ফল না খায়। কারণ এই সমস্যায় জর্জরিত মানুষরা রাতে ফল খেলে গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় কষ্ট করতে হয়। তবে চলুন আজকে আমরা জানার চেষ্টা করি কখন কোন ফল খওয়া উচিত।

তাহলে আজকে জানার চেষ্টা করব কোন ফল কখন খাওয়া উচিৎ-

লিচু
লিচু খুবই সুস্বাদু একটি ফল। লিচু দেখলে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক কেউ লোভ সামলাতে পারেনা। কিন্তু লিচু খালি পেটে খাওয়া ‍যায় না। রাতের বেলায়ও লিচু না খাওয়া ভালো। দিনের বেলা যেকোনো সময় আপনি লিচু খেতে পারেন।

আম
আম একটি জনপ্রিয় ফল। আম খেলে আমাদের অনেক ভালো ঘুম হয়। যদি আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা না থাকে তাহলে যেকোনো সময় আম খেতে পারেন।

কলা
কলা একজন সুস্থ ব্যক্তি যেকোনো সময় খেতে পারেন। কলায় রয়েছে অদ্রবণীয় আঁশ। যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে এবং দেহে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি হলে তা অনেক সর্তকতার সাথে খেতে হবে। কলা সরাসরি আমাদের শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

মাল্টা ও কমলা
কমলা ও মাল্টা ভিটামিন সি জাতীয় একটি ফল। যা আপনি চাইলে যেকোনো খাবারের সাথে খেতে পারেন। তবে খালি পেটে ভিটামিন কখনো খাবেন না। তাহলে সেটা আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়িয়ে তোলতে পারে।

তরমুজ
আবহাওয়ার সাথে অনেক মৌসুমি ফল দেখা যায়। গরমের মৌসুমি ফলের মধ্যে তরমুজ অন্যতম। তরমুজ খেলে পানিশূন্যতা দূর হয়ে যায়। তরমুজ শরীরের পুষ্টির জন্য বেশ উপকারি।

আমলকী
আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনি চাইলে খাবারের পর আমলকীর রস খেতে পারেন। আমলকীর রস আমাদের খাবারের রুচি বাড়াতে অনেক সাহায্য করে। এটি খাবারের আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।

বড়ই
বড়ই-এ রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, এবং আঁশ রয়েছে। দুপুর বেলায় আপনি স্ন্যাক্স হিসাবে বড়ই খেতে পারেন। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে তারা বড়ই এড়াতে পারেন। কস যুক্ত বড়ই না খাওয়াই ভালো। তাতে করে আপনার পেট ব্যথা করতে পারে।

ওজন কমানোর খাবার সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here