বরগুনা ঢাকা লঞ্চে আগে ৪০০–৫০০ যাত্রী থাকতো এখন ১০০ যাত্রীও হচ্ছে না

বরগুনা থেকে ঢাকায় যাতায়াতকারী লঞ্চগুলোতে পদ্মা সেতুর চালুর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে । একেকটি লঞ্চে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ যাত্রী হতো সেতু চালুর আগে। সেতু চালুর পর সেখানে ১০০ যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না।

লঞ্চের যাত্রীরা বলছেন, লঞ্চের যাত্রা আরামদায়ক।

কিন্তু কেবিন ও ডেকের ভাড়া বেশি। আবার সময়ও বেশি লাগে।

ফলে তাঁরা টাকা ও সময় বাঁচাতে বাসে করে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করছেন।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, শুরুর দিকে সব যাত্রী পদ্মা সেতু দেখার জন্য বাস যাত্রা বেছে নিচ্ছে।

ঢাকা-বরগুনা, ঢাকা-আমতলী নদীপথে আটটি বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করছে।

এর মধ্যে ঢাকা-বরগুনা পথে পাঁচটি ও ঢাকা-আমতলী পথে তিনটি লঞ্চ রয়েছে।

প্রতিদিন ঢাকা-বরগুনা, ঢাকা-আমতলী নদীপথে চারটি লঞ্চ আসা-যাওয়া করে।

এসব লঞ্চ ৪০০ থেকে ৫০০ যাত্রী নিয়ে বরগুনা ঘাট ত্যাগ করত আগে।

আমতলী লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চ ছেড়ে যায়।

মো. হানিফ গাজী আমতলী লঞ্চঘাটের টোল আদায়কারী বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার আগে প্রতিদিন বেলা দুইটার মধ্যে দেড় থেকে দুই শতাধিক যাত্রী ঘাটে টোল দিয়ে লঞ্চে উঠে বিছানা পেতে বসে থাকতেন।

কিন্তু পদ্মা সেতু চালুর পর লঞ্চে যাত্রী নেই।

৭০ থেকে ৮০ জন এ ঘাটের যাত্রী হয়।

রাজা পহলান পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া লঞ্চঘাটের টোল আদায়কারী বলেন, এক সপ্তাহ আগেও এ ঘাট দিয়ে দুই থেকে আড়াই শ যাত্রী ঢাকা যেত। গতকাল এ ঘাট দিয়ে মাত্র ৮০ যাত্রী ঢাকায় গেছে।

মো. হুমায়ুন কবির এমভি তরঙ্গ-৭ লঞ্চের সুপার ভাইজার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, চার দিন লঞ্চ বন্ধ ছিল। ফলে যাত্রী কম। পদ্মা সেতুর প্রভাব নদীপথে পড়বে কি না, তা এখনই বলা যাবে না। কিছুদিন গেলে বোঝা যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here