ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম; এক সপ্তাহের ব্যবধানে রান্নায় বহুল ব্যবহৃত এ উপকরণটির দাম অন্তত ১০ টাকা বেড়েছে।

গত কয়েক মাস ধরেই পেঁয়াজের দাম ওঠা-নামা করছিল।

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহেও ৩৫-৪০ টাকা ছিল।

বাজারে অল্পস্বল্প আমদানি করা পেঁয়াজ থাকলেও সেগুলো বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে ৪৫-৫০ টাকা দিয়েও আমদানি করা পেঁয়াজ কেনা গেছে
তবে রসুনের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে এই এক সপ্তাহে। শুক্রবার প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে;

দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে।

শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচা কাঁচা বাজার, শান্তিনগর, মালিবাগ, মগবাজার, রামপুরা, উত্তর বাড্ডাসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকলেও আমদানি করা পেঁয়াজ কমই দেখা গেছে।

রামপুরার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বলেন, “বাজারে একেক দিন একের জিনিসের দাম বাড়ে, কমে তো না।

পেঁয়াজের দাম কয়েক মাস স্থিতিশীল ছিল, এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।

পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।”

কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ নেই, এটা দাম বৃদ্ধির একটা কারণ।

ইন্ডিয়া থেকে আমদানি বন্ধ করে দিলে দাম হু হু করে বেড়ে যায়, এটাই আমাদের এখানে নিয়মে পরিণত হয়েছে।”

শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পেঁয়াজের সরবরাহ কিছুটা কমে এসেছে, যে কারণে দাম বেড়েছে।

“তার মনে, নতুন পেঁয়াজ উঠার পর এত দিন পেঁয়াজ চাষিরা তেমন লাভবান হয়নি।

দাম কিছুটা বেড়েছে, যে কারণে এখন তারা ২/৪ টাকা লাভ করতে পারছে।”

পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে জানিয়ে এ

ব্যবসায়ী বলেন, “দাম বেড়ে আমাদের এখানে এখন ৩৮ থেকে ৪২ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।”

জুনের প্রথম সপ্তাহে আমদানি করা রসুনের কেজি ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছিল বলে ব্যবসায়ীরা তখন জানিয়েছিলেন।

আরও নিউজ পরুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here